1. bijogk@gmail.com : voice of mohalchhari : voice of mohalchhari
  2. info@www.voiceofmohalchhari.com : ভয়েস অফ মহালছড়ি :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মহালছড়িতে কল্পনা চাকমার অপহরণকারী লে.ফেরদৌস গংদের সাজার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে। ১৯০০ সালের রেগুলেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে ইউপিডিএফের অবরোধ কর্মসূচি চলছে। মহালছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ। মহালছড়িতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে ২০২৪-এ পদপ্রার্থী যারা। বান্দরবানে নিরীহ বম ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে গণগ্রেফতার বন্ধের দাবিতে ইউপিডিএফের বিক্ষোভ মিছিল। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি বাজার বয়কট কমিটির আহ্বান। মাইসছড়ি বাজার বয়কট এক মাস স্থগিতের সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পথিকৃৎঃ ক্লেরা জেটকিন দীর্ঘ আড়াই মাসের ও অধিক সময় মাইসছড়ি বাজার বন্ধ। খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়নে ধুল্যেতে সেনাবাহিনীর বাড়ি-ঘর তল্লাশি : জনমনে আতঙ্ক।

বান্দরবানে নিরীহ বম ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে গণগ্রেফতার বন্ধের দাবিতে ইউপিডিএফের বিক্ষোভ মিছিল।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

গতকাল ২৪/০৪/২০২৪ রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় ইউপিডিএফের মহালছড়ি ইউনিটের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। ” বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতির সাথে জড়িতদের গ্রেফতার কর” কেএনএফের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের নামে গণগ্রেফতার, হয়রানি বন্ধ, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবির- শ্লোগানকে সামনে রেখে ইউপিডিএফ সংগঠক মি. স্থির চাকমার সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সংগঠক মি.বিজগ খীসা।
স্থির চিত্র:ভয়েচ অফ মহালছড়ি
প্রতিবাদ সমাবেশে মি.বিজগ তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, গত ২-৩ তারিখ বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতির জন্য কেএনএফ’কে দায়ি করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে কেএনএফ’কে গ্রেফতার করার উচিলায় যৌথ অভিযান শুরু করে আইন শৃংখলা বাহিনী। কিন্তু তারা কোন কেএনএফ-এর কাউকে গ্রেফতার করতে না পেরে সেখানকার নিরীহ ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধ-নারী সহ সরকারি চাকরিজীবিদের গ্রেফতার করে জেলে প্রেরণ করছে। তার মধ্যে দেড় মাসের দুগ্ধপুষ্ট শিশুর মাও রয়েছেন। আইন শৃংখলা বাহিনী শুধু তা নিয়ে ক্ষান্ত থাকেনি তারা সেখানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কেউ ৫(পাঁচ) কেজির বেশি জিনিসপত্র কিনতে পারবে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কখনো কাম্য নয় এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমরা ও তো চাই দিন দুপুরে ব্যাংক ডাকাতির মতো নিকৃষ্ট ঘটনার প্রকৃত আসামীরা গ্রেফতার করা হোক। কিন্তু প্রকৃত আাসামীদের ধরতে না পেরে কেন নিরীহ জনগণের ওপর হয়রানি, মামলা ও গ্রেফতার? এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে তিনি আজকের সমাবেশ থেকে তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আমাদের অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেয়ার জন্য শাসকশ্রেণি দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামকে তারা নান ধরনের ইস্যু দেখিয়ে সামরিকায়ন করে রেখেছে। উন্নয়নের নামে, সীমান্ত সড়ক নির্মাণের নামে, বনায়নের নামে প্রতিনিয়ত তারা ভূমি বেদখল করে যাচ্ছে। ঠ্যাঙাড়ে মুখোশ, সংস্কার ও মগ পার্টির মতো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সৃষ্টি করে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তারা অশান্ত করে রেখেছে। আর বর্তমানে ব্যাংক ডাকাতি ঘটনার নাটক সাজিয়ে যৌথ অভিযানের নামে সাধারণ বম জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। তাই এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য, আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আন্দোলন ছাড়া কোন পথ নেই।
পরিশেষে, বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি মামলায় যে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও জনগণকে গ্রেফতার করে জেল হেপাজতে প্রেরণ করা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিসিসের ওের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করার জোড় দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐈𝐍𝐓𝐄𝐋 𝐖𝐄𝐁