1. bijogk@gmail.com : voice of mohalchhari : voice of mohalchhari
  2. info@www.voiceofmohalchhari.com : ভয়েস অফ মহালছড়ি :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মহালছড়িতে কল্পনা চাকমার অপহরণকারী লে.ফেরদৌস গংদের সাজার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে। ১৯০০ সালের রেগুলেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে ইউপিডিএফের অবরোধ কর্মসূচি চলছে। মহালছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ। মহালছড়িতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে ২০২৪-এ পদপ্রার্থী যারা। বান্দরবানে নিরীহ বম ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে গণগ্রেফতার বন্ধের দাবিতে ইউপিডিএফের বিক্ষোভ মিছিল। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি বাজার বয়কট কমিটির আহ্বান। মাইসছড়ি বাজার বয়কট এক মাস স্থগিতের সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পথিকৃৎঃ ক্লেরা জেটকিন দীর্ঘ আড়াই মাসের ও অধিক সময় মাইসছড়ি বাজার বন্ধ। খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়নে ধুল্যেতে সেনাবাহিনীর বাড়ি-ঘর তল্লাশি : জনমনে আতঙ্ক।

ইউপিডিএফের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে পার্টি সভপতি প্রসিত বিকাশ খীসার লিখিত বক্তব্য।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিষ্ঠার ২৫তম বার্ষিকীতে কর্মীবাহিনী ও জনগণের উদ্দেশ্যে
পার্টি সভাপতির বার্তা
(২৫ ডিসেম্বর ২০২৩)

ইউপিডিএফ-এর সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচির ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছে, তারা সরকার-শাসকগোষ্ঠীকেই লাভবান করেছে।

সংগ্রামী সহযোদ্ধা,
সাথী-বন্ধু,
বাপ-ভাই ও মা-বোনেরা,
ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠার ২৫তম বার্ষিকীর এ স্মরণীয় মুহূর্তে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণতেজোময় সংগ্রামী অভিবাদন!
১১ ডিসেম্বর ২০২৩ কাপুরুষোচিত হামলায় শহীদ বিপুল-লিটন-সুনীল-রুহিনসহ পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মবলিদানকারী সকল বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর সম্মান। স্মরণ করছি লড়াইয়ের বিভিন্ন পর্বে পঙ্গুত্ববরণকারী সহযোদ্ধা ও কারাগারে অন্তরীণ বন্ধু ও সমর্থকদের।
বিভিন্নভাবে সমর্থন ও সহায়তাদানের মাধ্যমে যারা ভূমিকা রাখছেন, পার্টির রজত জয়ন্তীতে তাদেরও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
সর্বোপরি সরকার-শত্রুপক্ষের সকল ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও আক্রমণ মোকাবিলা করে যে সকল সহযোদ্ধা পার্টির নির্দেশ শিরধার্য করে নিজ নিজ কর্মস্থলে দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, পার্টি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তাদের জানাই বিপ্লবী অভিবাদন!
প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ,
ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিরোধ লড়াই সংগঠিত হয়েছে। বহিঃশক্তির আগ্রাসন প্রতিরোধ করে এ অঞ্চলের জনগণ নিজেদের স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখে গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বুকে ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর আবির্ভাব ঘটেছে ইউপিডিএফ-এর। জেল-জুলুম, মামলা-হুলিয়া, ষড়যন্ত্র-অপপ্রচার, গুপ্ত হামলা-হত্যা এককথায় অবর্ণনীয় দমন-পীড়ন মোকাবিলা করে ইউপিডিএফ ২৫ বছর ধরে অবিচলভাবে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই সংগ্রাম জারি রেখেছে। এ সংগ্রামে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের বেশ ক’জন সম্ভাবনাময় প্রতিশ্রুতিশীল সংগঠক-নেতা-কর্মীসহ ৩৫৬ জন আত্মবলি দিয়েছেন। এ স্মরণীয় দিনে বীর শহীদদের রক্ত পতাকা উর্ধ্বে তুলে এগিয়ে যাবার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করছি!

দুনিয়ায় ভাগ্যবিড়ম্বিত কোন জাতি জনগোষ্ঠী বিনা সংগ্রামে সহজে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। চোখের সামনে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পূর্ব বাংলা। তিরিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। শাসকগোষ্ঠীর যোগসাজশে আন্দোলন নস্যাতের লক্ষ্যে বাঙালিদের সজাতিভুক্ত রাজাকার আল বদর বাহিনী পাকিস্তানিদের সহায়তা দিয়েছিল। প্রতিটি আন্দোলনে তাই দেখা যায়। একটি অংশ শাসক-নিপীড়কের সাথে বোঝাপড়ার মাধ্যমে নিজেদের ক্ষুদ্র গোষ্ঠী স্বার্থ চরিতার্থ করে টিকে থাকে, ‘৭১ সালে রাজাকার আলবদররা সে পথ অবলম্বন করেছিল, তারা টিকতে পারে নি, পরাজয় বরণ করেছে, তাদের মূল হোতাদের ফাঁসি হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক সন্ত্রাসী দুর্বৃত্ত তকমা পাওয়া মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা বিপত্তি মোকাবিলা করে দেশ স্বাধীন করেছে। তারাই বীর হিসেবে সম্মানিত। শুধু বাঙালিদের স্বাধীনতা সংগ্রামে দালাল রাজাকার বেঈমানদের উৎপাত ছিল এমন নয়। ভিয়েতনামিদের মুক্তি সংগ্রামেও ছিল দালাল বেঈমান। তাদের পরাস্ত করেই মুক্তি সংগ্রাম সফল হয়েছে। আজ পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে দালাল বেঈমানদের দৌরাত্ম্য দেখে অনেকে ভয়ে কুঁড়কে যায়, যা প্রকৃত সংগ্রামীদের শোভা পায় না। যে কোন লড়াই সংগ্রামে দালাল-বেঈমান মোকাবিলার একটি পর্ব থাকে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমাদেরও সে পর্বটি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এরা সমাজের ঘৃণিত নিকৃষ্ট অংশ, তাদের মুখোশ শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়, দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের কাছে উন্মোচিত। সুতরাং তারা সরকার পতনের সাথে সাথে খড় কুটোর মতো ভেসে যাবে!

সংগ্রামী বন্ধুগণ,
দেশের বর্তমান সরকার ব্যবস্থা এমনই যে, বিতর্কিত ‘পার্বত্য চুক্তি’ কখনই আর আলোর মুখ দেখবে না। চুক্তি সম্পাদনকারী দল খোদ আওয়ামীলীগের হাতে ‘চুক্তিটি ‘মৃত দলিলে’ পরিণত হয়েছে। ‘এককেন্দ্রীক শাসন ব্যবস্থার সাথে সাংঘর্ষিক’ ‘সংবিধান বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে খোদ দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক এক রায়ে পার্বত্য চুক্তি ‘অবৈধ ঘোষিত’ হয়েছে (১৩ এপ্রিল ২০১০)। সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তিন মেয়াদে এক নাগাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও যে দল চুক্তি বাস্তবায়ন করেনি, উল্টো “বাঙালি জাতীয়তা” চাপিয়ে দিয়ে “১১দফা নির্দেশনার” মাধ্যমে ফৌজী শাসন জারি রেখেছে, সে দল ভবিষ্যতে চুক্তি বাস্তবায়ন করবে সেটা একমাত্র বোকা নয়ত পোষমানা দালালরাই বিশ্বাস করবে। আগামীতে আওয়ামীলীগ কখনই বর্তমান সময়ের মতো সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতাও পাবে না।’৭৫ সালে মুজিব পতনের পর যেভাবে আওয়ামীলীগ খণ্ড-বিখণ্ড হয়, আগামীতেও দল হিসেবে আওয়ামীলীগ অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে, তার আলামতও দৃশ্যমান! রাঙ্গামাটির এসপি হুমায়ুন কবীর যথার্থই ‘পার্বত্য চুক্তিকে মুলা’ (১৮ জুন ২০০৩) আখ্যা দিয়ে সন্তু লারমাকে তা বাস্তবায়নের আশা ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। ২৬ বছর ধরে যারা ‘চুক্তির’ পেছনে দৌঁড়ায়, তাদের কী নামে আখ্যায়িত করা যায়?
প্রতারণা হচ্ছে লুটেরা ধনীকশ্রেণীর দল আওয়ামীলীগের মজ্জাগত বৈশিষ্ট্য আর আপোষকামিতা, বিচ্যুতি ও বেঈমানি ধারার মুখপাত্র হলেন সন্তু লারমা, তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ কখনই বিশ্বাস করতে পারে না। ‘জঙ্গী আন্দোলন করে স্বায়ত্তশাসন আদায় হয় না’ (১৫ জুন ১৯৯৫) সবক জারির মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পণের পথ প্রশস্ত করেন। ‘আওয়ামীলীগই একমাত্র সংখ্যালঘুদের প্রতি সহানুভূতিশীল দল’ বলে সার্টিফিকেট দিয়ে পাহাড়িদের এ দলে ভিড়তে উস্কে দেন। সন্তু লারমার ভ্রান্ত রাজনীতির কারণে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত হচ্ছে। তাতে ফাটল ধরেছে সমাজের ঐক্য সংহতিতে। ভবিষ্যতে যাতে পাহাড়ে আন্দোলন ও নেতৃত্ব গড়ে উঠতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা সংস্থার নীলনক্সা মাফিক বিভিন্ন সংগঠন অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে। নানা প্রলোভন ও সুযোগ-সুবিধা দিয়ে ছাত্র-যুবকদের আন্দোলন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার বহু ধরনের প্রজেক্ট চালু রয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে অতীতে বিভিন্ন সময়ে দালাল (‘দুলো’) বেঈমান আবির্ভূত হলেও সন্তু লারমার মতো কেউ এত ধূর্ততার সাথে আঁতাত করে সেনা-শাসকগোষ্ঠীর নীলনক্সা বাস্তবায়নে পারদর্শিতা দেখাতে পারেনি। কুসুমপ্রিয়-প্রদীপ লাল হত্যা (৪ এপ্রিল ১৯৯৮) থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ১১ ডিসেম্বর বিপুল-লিটন-সুনীল-রুহিন হত্যায় তার নির্দেশ ও সেনাদের সাথে যোগসাজশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ যাবৎকালে সন্তু লারমার মতো কেউ আর পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণকে এত ক্ষতি করতে পারেনি। তিনি হলেন সাক্ষাৎ মীর জাফর ও বিভীষণ। আন্দোলন গুটিয়ে অলিখিত চুক্তি ও আত্নসমর্পণ করে আঞ্চলিক পরিষদের গদি লাভের বিনিময়ে পাহাড়ের সংগঠন ও আন্দোলন ধ্বংস করেছেন। জনসংহতি সমিতি দু’বার (১৯৮২ ও ‘২০১০) ভেঙেছেন, প্রতিবাদী ছাত্রসমাজ মোকাবিলা করতে ছাত্রবেশী ধান্দাবাজদের মাস্তান-গুণ্ডা (৩০ জুন ১৯৯৭) বানিয়েছেন, পাহাড়ের সুবিধাবাদী দালালদের কুড়িয়ে নিয়েছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ইউপিডিএফ বরদাস্ত করবে না!

সংগ্রামী সাথী-সহযোদ্ধাগণ,
পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর বড় অংশটি (সামান্য কিছু ব্যতিক্রম ব্যতিত) পাক হানাদার বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। পেশাদার সৈনিকের চরিত্র হারিয়ে এরা ইউপিডিএফ-এর পোস্টার ছিঁড়ে দেয়া, দেয়াল লিখন মুছে দেয়া, ব্যানার-ফেস্টুন নামিয়ে আনা…সমাজের অপরাধীদের সাথে যোগসাজশ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ধর্মীয় অবমাননা, ধর্ষণ-খুন-গুম, ‘অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার’ নাটক মঞ্চস্থের মতো… যে সব কাণ্ডকারখানায় মেতে উঠেছে, তা পেশাদার সৈনিকের কাজ নয়। আশি দশকের শেষার্ধে খাগড়াছড়িতে ব্রিগেড কমান্ডার থাকাকালে তখনকার কর্ণেল ইব্রাহিম (কল্যাণ পার্টির বহিঃষ্কৃত চেয়ারম্যান) অসৈনিকসুলভ কাজে লিপ্ত ছিলেন, বর্তমানে দেশে তিনি বেঈমান মীর জাফর একজন অত্যন্ত ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবে নিন্দিত। খাগড়াছড়িতে তার সৃষ্ট চর ও দালালরা সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঘাপটি মেরে থেকে আজও জনগণের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করে চলেছে। এদের মুখোশ উন্মোচন করে না দিয়ে আন্দোলন এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে না।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অধিকাংশ কর্মকর্তা (মুষ্টিমেয় ব্যতিক্রম ব্যতিত) প্রকৃত সৈনিকের পক্ষে যে সব কাজ শোভা পায় না, অমর্যাদাকর, সে ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এতে সৈন্যবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ভিতর থেকে ধ্বসে পড়েছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাবি সৈনিকদের যোদ্ধা হিসেবে সুনাম থাকলেও পূর্ব বাংলায় পেশাদার সৈনিকের চরিত্র হারিয়ে, তাদের শোচনীয় হার হয়েছিল।
পার্বত্য চট্টগ্রামেও নৈতিকভাবে অধঃপতিত সেনাবাহিনীর বড় অংশটি দেশের ক্ষতির কারণ হবে। দেশের অখণ্ডতা রক্ষা দূরের কথা, উগ্র সাম্প্রদায়িক মনোভাব ও মানবাধিকার লংঘনের কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জাতীয় বাহিনীর মর্যাদা হিসেবে তাদের গ্রহণযোগ্যতা নেই। গোটা দেশের জন্যই এরা বোঝা ও আপদ হয়ে দাঁড়াবে, দেশের গণতান্ত্রিক শক্তি সে আশঙ্কায় শঙ্কিত।

সংগ্রামী বন্ধুগণ,
জাতীয় সংকটময় পরিস্থিতিতে ইউপিডিএফ সময়োচিত ঘোষণা ও পদক্ষেপ গ্রহণে কখনই দ্বিধাগ্রস্ত হয় নি। সকল ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ইউপিডিএফ অগ্রসর হয়েছে। অতীতের বিভিন্ন ঘটনায় দেখা গেছে, যারা ইউপিডিএফ-এর সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচির ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছে, তারা সরকার-শাসকগোষ্ঠীকেই লাভবান করেছে। ভবিষ্যতেও যারা ইউপিডিএফ-এর সময়োচিত আহ্বানে সাড়া দেবে না বা দোদুল্যমানতা দেখাবে, তারা সমাজ-জাতির ক্ষতির কারণ হবে।
প্রতিষ্ঠার রজত জয়ন্তীতে আমাদের আহ্বান,
পার্বত্য চট্টগ্রামে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সকল শত্রুর হুমকি রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে,
ইউপিডিএফ-এর পতাকাতলে সমবেত হোন!
ইউপিডিএফ-এর স্থানীয়ভাবে ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়ুন!
লড়াই সংগ্রাম জোরদার করুন!
সত্য ও ন্যায়ের জয় অনিবার্য!
No Full Autonomy, No Rest!
Long Live UPDF!
২৬ ডিসেম্বর ২০২৩
খাগড়াছড়ি, পার্বত্য জেলা।

———————————————***————————————–

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐈𝐍𝐓𝐄𝐋 𝐖𝐄𝐁