1. bijogk@gmail.com : voice of mohalchhari : voice of mohalchhari
  2. info@www.voiceofmohalchhari.com : ভয়েস অফ মহালছড়ি :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মহালছড়িতে কল্পনা চাকমার অপহরণকারী লে.ফেরদৌস গংদের সাজার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে। ১৯০০ সালের রেগুলেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে ইউপিডিএফের অবরোধ কর্মসূচি চলছে। মহালছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ। মহালছড়িতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে ২০২৪-এ পদপ্রার্থী যারা। বান্দরবানে নিরীহ বম ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে গণগ্রেফতার বন্ধের দাবিতে ইউপিডিএফের বিক্ষোভ মিছিল। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি বাজার বয়কট কমিটির আহ্বান। মাইসছড়ি বাজার বয়কট এক মাস স্থগিতের সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পথিকৃৎঃ ক্লেরা জেটকিন দীর্ঘ আড়াই মাসের ও অধিক সময় মাইসছড়ি বাজার বন্ধ। খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়নে ধুল্যেতে সেনাবাহিনীর বাড়ি-ঘর তল্লাশি : জনমনে আতঙ্ক।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এর সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা সহ ৪ জনের হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে গনতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

পিসিপি’র সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরাসহ ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত ও বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট, চট্টগ্রাম জেলা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে উক্ত চার হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তপুর্বক বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহারসহ বেশ কিছু দাবি জানানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৩) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়ক সাইফুর রূদ্র।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৫০ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঘোষিত ও অঘোষিত সেনা শাসন জারি আছে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়েছে সামরিকায়িত। স্বাধীন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একই সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের পূর্ণ-স্বায়ত্বশাসনের দাবি উপেক্ষা করে শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক গণতান্ত্রিক রাজনীতি দমনে গুম-খুন-ধর্ষণ-গণহত্যা-জাতিগত নিপীড়ন-ভূমি দখল, সমতলের বাঙ্গালী জনগণকে পাহাড়ে স্থানান্তর ও জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠিত করার প্রক্রিয়া ইত্যাদি নানাভাবে জনগণের বিরুদ্ধশক্তি হিসেবে রাষ্ট্রযন্ত্র নিরবচ্ছিন্নভাবে হাজির থেকেছে। একপর্যায়ে ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি করা হয়, যা এদেশের শাসক গোষ্ঠী “শান্তি চুক্তি” হিসাবে প্রচার করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রথাগত ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠার বদলে করতে যা যা করা দরকার সকল পদক্ষেপ এই চুক্তির আগে পরে সংঘটিত হতে থাকে, যা আজও চলছে।

এতে তিনি আরো বলেন, পাহাড়ে মত প্রকাশ, সভা-সমাবেশ ও সংবাদপত্র সহ সকল প্রকার মিডিয়ার উপর একধরণের সেন্সরশিপ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে শাসকগোষ্ঠী তাদের পলিসি বাস্তবায়ন করে চলছে। যা পরিষ্কার জনবিচ্ছিন্ন ও গণবিরোধী। তদুপরি যোগ হয়েছে পর্যটন প্রকল্প, প্রকৃতি ধ্বংস করে নানা ধরণের অর্থকরী উন্নয়ন প্রকল্প। এসকল প্রকল্প বস্তবায়ন করতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিসত্তার অসংখ্য জনগণকে নিজ ভিটে-ভূমি ও চাষের জায়গা থেকে উচ্ছেদ হয়ে বাস্তুহারাতে পরিণত করা হচ্ছে। অন্যদিকে পাহাড় কেটে প্রাণ প্রকৃতি ধ্বংস করে সমগ্র জাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া আপনারা কল্পনা চাকমার অপহরণ, মিঠুন চাকমার খুন, মাইকেল চাকমার গুম, ২০১৮ সালে স্বনির্ভর হত্যাকান্ড ছাড়াও লংগদু গণহত্যা, লোগাং হত্যাকান্ড, নানিয়াচর গণহত্যার কথা কমবেশি এদেশের সচেতন নাগরিক মহল মাত্রই জানেন। অর্থাৎ সাম্প্রতিক হত্যাকান্ডটি কোন নতুন ঘটনা নয়, বরং পূর্বে সংঘটিত অসংখ্য হত্যাকান্ডের একটি পরম্পরা। আমরা মনে করি, রাষ্ট্রীয় মদত ছাড়া যুগের পর যুগ একটি অঞ্চলে এমনটি হতে পারে না। আমরা আরও দেখতে পাই, এসকল হত্যাকান্ডে জাতিসত্তার জনগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এঘটনাগুলোকে বিভিন্ন সময়ে ‘পাহাড়ি-বাঙ্গালী সংঘাত, ভাতৃঘাতী সংঘাত, ত্রিমুখী সংঘর্ষ’ ইত্যাদি বিভিন্ন নামকরণে রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র সচেতনভাবে প্রচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মদত, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও আগ্রাসন আড়াল করে থাকে। মূলত, পাহাড়ে ও পাহাড়ের জনগণের ওপর কী চলছে, কীভাবে চলছে তা কোনভাবেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের গণতান্ত্রিক বোধ সম্পন্ন জনগণের কাছে পৌঁছাতে দেবেনা, এই তাদের লক্ষ্য। আজকের এ সংবাদ সম্মেলন করার মূল কারণেও রয়েছে ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ছাত্র-যুবনেতাদের হত্যাকান্ড।

লিখিত বক্তব্যে তিনি পানছড়িতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, সংবাদপত্রসহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বিশেষ তৎপরতা না থাকলেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন, গত ১১ ডিসেম্বর রাতে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-পিসিপির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল চাকমা, পিসিপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা লিটন চাকমা ও ইউপিডিএফ সদস্য রুহিন বিকাশ ত্রিপুরাকে গুলি করে হত্যা এবং ৩ জনকে অপহরণ করা হয়। ১৩ ডিসেম্বর আমরা গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট-সহ চট্টগ্রাম এবং ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে যাই। এদিন দুপুরের দিকে শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবার কথা। কিন্তু ময়নাতদন্তে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে শেষকৃত্যের সময় পেছানো নিশ্চিত হলে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাই।
আমরা স্থানীয় সূত্রে জানতে পারি; সংঘটিত হত্যাকান্ড সম্পর্কে ১১ ডিসেম্বর রাত ১০টায় স্থানীয় থানা পুলিশকে অবগত করা হলেও পুলিশ ঘটনাস্থালে আসা থেকে বিরত থাকে, ১২ ডিসেম্বর দুপুর পেরিয়ে মরদেহগুলোতে পচনের আশঙ্কায় স্থানীয় জনগণ থানায়। বারবার যোগাযোগ করলে বিকেল ৪ টায় থানায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা না করলে রাতভর মরদেহগুলো থানায় পরে থাকে; শেষ পর্যন্ত ‘১৩ ডিসেম্বর সকালে স্থানীয় জনগন ও ইউপিডিএফ নেতা-কর্মীদের তৎপরতায় মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত মরদেহ হস্তান্তর করা হয় ১৩ ডিসেম্বর দুপুর পেরিয়ে যাবার পর এবং দাহক্রিয়া হতে রাত ৮টা পেরিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত না হওয়া এবং ময়নাতদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি প্রশাসনের গড়িমসি ও অসহযোগী মনোভাবের কারণে হয়েছে বলে মনে করছি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৩ ডিসেম্বর, সকালে ৮টায় রওনা দিয়ে প্রায় ১১টায় খাগড়াছড়ি সদরে গিয়ে পৌঁছাই। খবর নিয়ে জানা গেল, লাশ হস্তান্তরে। একধরনের গড়িমসি তখনও চলছে। সেখান থেকে আমরা পানছড়ির যে পাড়ায় বিপুল চাকমাসহ ৪ জন সহযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে স্থানীয় চেঙ্গি নদী পেরিয়ে সে বাড়িতে যাই। ভৌগলিক কারণে স্বাভাবিকভাবেই সে ঘরটির উঠোন পেরিয়ে আশপাশে ঢালু জমি। তিনটি রুমের উক্ত ঘরে তারা ঘুমাচ্ছিলেন। বিছানাস্থলের আশপাশে রক্তের চিহ্ন দেখে বুঝা যাচ্ছিল, ঘুমন্ত অবস্থায় বিপুল চাকমা ও রহিনসা ত্রিপুরাকে গুলি করা হতে পারে। এছাড়া ঘরের ভেতর বুলেটের ক্ষত চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। সুনীল ত্রিপুরা ও লিটন চাকমার লাশ ঘরের বাইরে পাওয়া যায়। স্থানীয় জনগণ জানায়, ছাত্রনেতা সুনীল ত্রিপুরাকে হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকেও অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি যেতে না চাওয়ায় তাকে গুলি করা হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতায় এবং পাড়ার অবস্থান, ঘরটির আশপাশের পাহাড়ি ঢালু জমিসহ ইত্যাদি ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় আমরা ধারণা করছি, নূন্যতম ১০/২০ জন লোক সরাসরি এবং আরো বেশি লোক ঘরটিকে ঘিরে রাখতে পারে। নয়ত একইসাথে ঘরের ভেতর এবং বাইরে ঠান্ডা মাথায় নৃশংস এই হত্যাকান্ড ঘটানো অসম্ভব। স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কথা বলেও উক্ত ধারণার সাথে মিল পেলাম। আরও জানা গেল উক্ত অনিল পাড়ায় দুর্বৃত্ত দলের পক্ষে প্রতিহত হবার ভয়ে একা প্রবেশ সম্ভব নয়। কেননা, সেনা-সংশ্লিষ্টতার কারণে স্থানীয় জনগণ তাদেরকে বন্ধুপ্রতীম মনে করেনা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পানছড়ি যাওয়ার পথে ও ঘটনাছল পরিদর্শন শেষে কমরেড বিপুল চাকমাসহ ৪ সহযোদ্ধার শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ফেরার সময় আমরা দেখতে পেলাম অনেকগুলো সেনা ছাউনি পার হতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন আমাদের বিভিন্ন স্থান নির্দেশ করে দেখান, যেখানে বিভিন্ন সেনা মদতপুষ্ট বাহিনীর আড্ডাস্থল, আস্তানা ইত্যাদি। একদিকে জনপদের ভেতর সেনা ছাউনি ছাড়ান্ত অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ধারণা দেয়, অন্যদিকে এসমস্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট বাহিনীকে সেনা বাহিনীর ছত্রছায়ায় নিরাপদ করে রাখা এ বিষয়গুলো মানসিকভাবে পীড়া দেয়ার পাশাপাশি বিষ্ময় জাগায়। আমরা অনতিবিলম্বে পাহাড়ে এসকল সেনা ছাউনি ও সেনা শাসন প্রত্যাহার চাই। আমরা দেখতে পেলাম, গত ১৪ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী অপহৃত ৩ জনকে উদ্ধার করলেও হত্যা ও অপহরণের ঘটনায় জড়িত কাউকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলন থেকে অতীতের ঘটনাবলির ন্যায় এবারও ধামাচাপা না দিয়ে এ গণহত্যাসহ সকল হত্যার বিচার এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা, অনতিবিলম্বে বিপুল চাকমাসহ ৪ জন সহযোদ্ধার হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানানো হয়। একইসাথে আরো ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। দাবিগুলো হলো-

১। কমরেড বিপুল চাকমা সহ ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে প্রধান করে তদন্তপূর্বক বিচার কর।

২। পাহাড় থেকে সেনা শাসন প্রত্যাহার করতে হবে।

৩। পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন দিতে হবে।

8। পাহাড়ে জনগণের প্রথাগত ভূমির অধিকার দিতে হবে।

৫। পাহাড়ে স্বাধীন মত প্রকাশ ও সভা সমাবেশ দমনে স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দেশিত ১১ দফা নির্দেশনা বাতিল করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট, চট্টগ্রাম জেলার সহ-সমন্বয়ক অ্যানি চৌধুরীর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল; রিপা মজুমদার, সহ-সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম; তিতাস চাকমা, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র যুবা আন্দোলন; জশদ জাকির, সংগঠক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; সোহেল চাকমা, সভাপতি, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-পিসিপি চট্টগ্রাম মহানগর। এছাড়াও গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর নগর ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র:chtnews.com

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐈𝐍𝐓𝐄𝐋 𝐖𝐄𝐁